Wednesday, December 28, 2011

আলোর গতির চেয়ে বেশি গতিতে চলমান নয় নিউট্রিনো

আলোর থেকে বেশি গতিসম্পন্ন প্রাথমিক কণা পাওয়ার দাবী এবার প্রত্যাখান করলো ইতালীর গ্রান স্যাসো গবেষনাগারের 'অপেরা'(OPERA) এক্সপেরিমেন্টের সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা । তারা তাদের প্রকাশিত একটি অভিসন্দর্ভে আগের দাবিটি নাকচ করে দিয়েছেন । সুইজারল্যান্ডের সার্ন গবেষনাগার থেকে গ্রান স্যাসোতে পাঠানো নিউট্রিনো কনার যে গতি তা ফোটন কনার গতির থেকে ৬০ ন্যানোসেকেন্ড কম সময়ে পৌঁছেছে । এই আকস্মিক আবিষ্কারে অনেকেই ভড়কে যান কেননা এই গবেষনার ফলা
ফল সঠিক হলে আইনস্টাইনের রিলেটিভিটি সম্পর্কিত ধারনা এবং আধুনিক পদার্থ বিজ্ঞানের একটি বড় অংশ ভুল প্রতিজ্ঞার ওপর ভিত্তি করে আছে বলে প্রমাণিত হতো ।

কিন্তু , না । এবার বিজ্ঞানের ওই দলটিই সার্ন থেকে পাঠানো নিউট্রিনো কণাগুলোর বাকি অংশ নিয়ে আবার সেম টু সেম পরীক্ষা করলেন ।
এবার ইতালির National Physics Institute এর তত্ত্বাবধানে 'ইকারুস' নামে গ্রান স্যাসোতে আর একটি গবেষনায় ওই বিজ্ঞানী দল নিউট্রিনোর গতিবেগে OPERA তে করা গবেষনায় রেকর্ড করা গতিবেগের মতো কিছু পায়নি । ফলতঃ ইকারুস নামক দলটির গবেষনালব্ধ ফল ২৩নভেম্বর একই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় যেখানে অপেরা গবেষনার ফল প্রকাশিত হয়েছিলো ।

ওই প্রকাশিত গবেষনার ফলাফল এই যে, আলোর গতির চেয়ে বেশি গতিতে চলমান কোন নিউট্রিনোর খোঁজ পাওয়া যায়নি ।

তথ্যসূত্র : http://en.m.wikipedia.org/wiki/Laboratori_Nazionali_del_Gran_Sasso

Sunday, November 27, 2011

পদার্থের রুপান্তর

1901 এর অক্টোবরে মনট্রিলে রাদারফোর্ড আর ব্রিটিশ কেমিস্ট সোদি যৌথভাবে থোরিয়াম থেকে বিকিরণ নিয়ে গবেষণায় দেখতে পেয়েছিলেন তেজস্ক্রিয় বিকিরনের মাধ্যমে থেরিয়াম অন্য পদার্থে রূপান্তর হয়ে যেতে পারে...সোদি অবাক হয়ে মুখ ফসকে বললেন - this is transmvation! ...রাদারফোর্ড তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন - for mikes sake,soddy,dont call it transmutation...they will have our heads off as alchemists

পদার্থের রুপান্তর সম্ভব নয় এমন প্রথাগত মত থেকে সমালোচকদের সরে যেতে হল...কোন সত্যই না মেনে উপায় থাকেনা...বিজ্ঞানের সত্য হলে তো কথাই নেই

Wednesday, September 28, 2011

এলোমেলো কেমিস্ট্রিতে

স্থির স্ফুট্নান্কে এলকোহল এর স্ফুট্নান্ক ৭৮ ডিগ্রী সেল্সিয়াস,পানির ১০০,৭৮+১০০=১৭৮,১৭৮/২=৮৯,,আবার পানির ১০০,HNO3 এর ৮৬,১০০+৮৬=১৮৬,১৮৬/২=৯৩,এখন ১৮৬-১৭৮=৮,আবার ৯৬-৮৯=৪...এবাবে এক তা পরিক্খা তেকে পরবর্তি পরিক্খা গুলর মান নিয়ে ধারনা করা জাবে,৪...৮...১২...১৬

Saturday, April 30, 2011

কণার স্পিন ধর্ম

প্রতিটি কণার স্পিন ধর্ম বিদ্যমান...এ প্রেক্ষাপট থেকে বলা যায় মহাবিশ্বের সব কিছুর সাথে স্পিন(spin) জড়িয়ে থাকবে...প্রথমে একটি ফোঁটা বা ডট বিন্দুর কথা চিন্তা করুন...যেদিক থেকেই ঘুরানো হোকনা কেন একই রকম দেখায়...ডট বিন্দুটিকে orientation ঘুরালে এর বাহ্যিক অবয়বের পরিবর্তন হয়না...তাই ডট বিন্দুটির স্পিন শূণ্য
কিন্তু সব কণার ক্ষেত্রে এমন হয় না...একটি ইস্কাপনের টেক্কাকে বিবেচনায় নিই...একটি কার্ডকে 360 degree ঘুরালে আগের মতই থাকবে অথ্যাত্‍ ঘূর্ণনের পর যদি কণার একই রকম কাঠামো পরিলক্ষিত হয় তার স্পিন 1

ডায়মন্ডের বিবিকে নূণ্যতম 180 degree ঘুরালেই একই অবয়ব লক্ষ্য করা যায়...যে সমস্ত কণাকে 180 degree ঘুরালে একই দেখা যায় তাদের স্পিন 2

কিছু মৌলিক কণিকাকে (320*2)d. অথ্যাত্‍ দুইবার ঘুরালে একই চেহারা দেখা যায়...সেইসব কণাদের স্পিন 1/2

Monday, April 11, 2011

আগুন

প্রশ্নঃ  তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা | Theoretical Physics
আগুন কী??
শক্তি নাকি পদার্থ?

আলোচনা


  • তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা | Theoretical Physics সম্ভবত অবলোহিত রশ্মি...এর চেয়ে বেশি কিছু কেউ জানলে বলেন
  • Tridip Paul কোন বস্তুকে যখন পোড়ান হয় তখন তার আভ্যন্তরীণ রাসায়নিক শক্তি বিকিরিত তাপ এবং আলোক শক্তি হিসেবে নির্গত হয় । আমরা যেটা দেখতে পাই সেটা অবশ্যই দৃশ্যমান বর্ণালীর অন্তর্গত।অবলোহিত রশ্মিও থাকে কিন্তু আমরা তা দেখতে পাইনা। আগুনের সাথে যে ধোঁয়া থাকে সেটা অবশ্য শক্তি নয় ,unburned বস্তুকনা এবং কার্বন মনোক্সাইড ইত্যাদি ।
  • Tridip Paul এখানে পোড়ানো মানে বাতাসের অক্সিজেন দ্বারা জারিত হওয়া ।
  • তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যা | Theoretical Physics আগুন কি ধাবমান?
    আগুনের গতি আছে?
  • Tridip Paul আমি এ ব্যাপারে অবগত নই। তবে আমি মনে করি বায়ু প্রবাহ যেদিকে ধাবিত হয় আগুনও সেদিকেই ধাবিত হয়, উহার নিজস্ব গতি নাই ।
  • Kuashar Arale Anik আমরা যখন কোন বস্তুকে উত্তপ্ত করি, তখন elelctronগুলা শক্তি শোষণ করে উপরের energy level এ যায়। আবার যখন নিচের শক্তিস্তরে ফিরে আসে, তখন সেই শোষিত শক্তি electro-magnetic wave রূপে বিকিরণ করে...... সেই বিকিরণকে আমরা আগুন হিসেবে দেখি। সব বিকিরণ আমরা দেখতে পাই না। যেমন-gamma radiation. যেটা দেখতে পাই, সেটাকেই আমরা আগুন বলি।

Tuesday, April 5, 2011

সত্যোন্দ্রনাথ বোস (১৮৯৪-১৯৭৪)

তার গবেষণার বিষয় ছিল গাণিতিক পদার্থবিদ্যা...১৯২১ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নব্য গঠিত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষকের দায়িত্ব গ্রহন করেন...১৯৪৫ সাল পর্যন্ত বোস এখানে শিক্ষাদান করেন

আইনস্টাইন ব্যক্তিগতভাবে সত্যেন বোসের প্রবন্ধ Planck's Law and Light Quantum Hypothesis জার্মান ভাষায় অনুবাদ ও প্রশংসামূলক অভিমত দিয়ে Zeitschriftfur Physik এ প্রকাশের জন্য প্রেরণ করেন...

তার নামা অনুসারে বিশেষ মৌলিক(boson)কণিকার নামকরন করা হয়;যেসব কণিকার স্পিন জোড় সংখ্যায় প্রকাশিত,ফলে পাউলির বর্জন নীতি মানে না...

বাংলায় বিজ্ঞান চর্চা প্রসারে বোস 'বিজ্ঞান পরিচয়' নামে একটি পত্রিকাও প্রকাশ করেন...